একটি বেকারত্বমুক্ত, স্বনির্ভর ও তথ্যপ্রযুক্তি-দক্ষ যুবসমাজ গড়ার জাতীয় অঙ্গীকার নিয়ে NYDTTA-এর যাত্রা। প্রচলিত চার দেয়ালের মুখস্থবিদ্যার বাইরে এসে জেনে নিন ক্লাসরুমের পেছনের আমাদের কর্মপদ্ধতি, শিক্ষা দর্শন ও সামাজিক মূল্যবোধ।
সনাতন উচ্চশিক্ষার বাস্তব সীমাবদ্ধতা ও শূন্যতা পূরণ করে যুবসমাজকে ফলপ্রসূ দক্ষতায় রূপান্তরের প্রেক্ষাপট।
প্রতি বছর দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলো থেকে লক্ষাধিক তরুণ সনদপত্র অর্জন করলেও কর্মক্ষেত্রের বাস্তবিক সফটওয়্যার ও কারিগরি প্রয়োগে পিছিয়ে থাকে।
এই গভীর ব্যবধান মেটাতে তথ্যপ্রযুক্তি ও ব্যবহারিক কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের 'চাকরি প্রার্থী' থেকে সরাসরি 'উৎপাদনশীল জনশক্তি' ও 'স্বাবলম্বী পেশাজীবী' হিসেবে গড়ে তোলার একটি প্রফেশনাল হাব হিসেবে জন্ম নেয় NYDTTA।
যে অটল মূল্যবোধগুলোর ওপর ভিত্তি করে আমাদের প্রতিটি কোর্স, ল্যাব ট্রেনিং ও মেন্টরশিপ পরিচালিত হয়।
আমরা ২০% ধারণার বিপরীতে ৮০% সময় সরাসরি প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব ওয়ার্ক, বাস্তব কোডিং ও ডিজাইন প্রজেক্টে শিক্ষার্থীদের ব্যস্ত রাখি।
বর্তমানে গ্লোবাল এবং লোকাল ইন্ডাস্ট্রিতে যা অকেজো বা ব্যাকডেটেড, তা আমরা পরিহার করি। যা চাহিদাসম্পন্ন, সিলেবাসে ঠিক সেটাই থাকে।
শেখার শ্রেষ্ঠ উপায় হলো ভুল করা। আমাদের ল্যাবে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস অর্জন করে।
কোর্স শেষ হওয়া মানে সংযোগ শেষ নয়। মার্কেটপ্লেস কাজ, পোর্টফোলিও রিভিউ এবং চাকরির প্রস্তুতিতে আমাদের মেন্টরদের দরজা আজীবন উন্মুক্ত।
শুধু কাজ নয়; আন্তর্জাতিক বায়ারদের সাথে ক্লায়েন্ট কমিউনিকেশন, কাজের ডেডলাইন রক্ষা ও কর্মক্ষেত্রের শতভাগ পেশাদারিত্ব চর্চা করানো হয়।
প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত যুবসমাজের কাছে আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে আমাদের বিশেষ স্কলারশিপ স্কিম পরিচালিত হয়।
কেবল সংখ্যা দিয়ে নয়, জীবন বদলে দেওয়া বাস্তব পরিবর্তনের অনুপ্রেরণামূলক গল্পই আমাদের আসল অর্জন।
গৃহিণী ও নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যাচ ও ডেডিকেটেড রিমোট মেন্টরিং, যার ফলে শত শত নারী ঘরে বসেই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন।
দূরদূরান্তের তরুণদের উচ্চমানের ইন্টারনেট প্রযুক্তি ও ডিজিটাল স্কিলে প্রশিক্ষিত করে রাজধানীমুখী হওয়া ছাড়াই নিজের এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
সাধারণ মানবিক, মাদরাসা বা ব্যবসায় শিক্ষা ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের স্ক্র্যাচ থেকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আধুনিক সফটওয়্যার ডেভেলপার ও গ্রাফিক্স পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তোলা।
আমাদের প্রতিটি কোর্সের সিলেবাস যেভাবে আন্তর্জাতিক ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম ও কর্পোরেট নিয়োগ চাহিদার সাথে সমন্বয় করা হয়।
Upwork, Fiverr এবং লোকাল বিডি জবসের চলতি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণ করে কোম্পানিগুলো বর্তমানে ঠিক কোন কোন টুলসের ওপর কর্মী খুঁজছে তা চিহ্নিত করা হয়।
শীর্ষস্থানীয় সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ও লিড ডিজাইনারদের সাথে বসে সিলেবাসের প্রতিটি মডিউল ও প্র্যাকটিক্যাল প্রজেক্টের কার্যকারিতা যাচাই ও চূড়ান্ত করা হয়।
প্রতি ৬ মাস পর পর সিলেবাস পুনর্মূল্যায়ন করা হয়; অপ্রয়োজনীয় ব্যাকডেটেড ফ্রেমওয়ার্ক বাদ দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও আধুনিক টুলস কারিকুলামে যুক্ত করা হয়।
দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগুলোতে আমরা নিয়মিত তথ্যপ্রযুক্তিতে ক্যারিয়ার সচেতনতা বিষয়ক ফ্রি সেমিনার ও প্রাথমিক ডিজিটাল লিটারেসি কর্মশালা পরিচালনা করে আসছি।
🎯 প্রতি বছর ১০,০০০+ তরুণ-তরুণীকে ফ্রি ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রদানআগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫০,০০০ তরুণ-তরুণীকে বিশ্বমানের আধুনিক আইটি ও কারিগরি বিদ্যায় দক্ষ করে জাতীয় অর্থনীতি ও রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখা।
🎯 লক্ষ্য: ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০,০০০ দক্ষ পেশাজীবী তৈরিএকটি নতুন ব্যবহারিক স্কিল শেখার সাহসী সিদ্ধান্ত কেবল আপনার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার নয়, আপনার পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার শক্তি রাখে।